বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় ভূমধ্যসাগরে গ্রিসগামী নৌকায় ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: জগন্নাথপুরের ৩ যুবক নিখোঁজ জগন্নাথপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপিত লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে নিখোঁজ শান্তিগঞ্জের ৭ যুবক জগন্নাথপুরে মই হাওরে নৌকা ডুবির ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের সাথে এমপির সাক্ষাৎ, দিলেন অনুদান জগন্নাথপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শান্তিগঞ্জে এমপি কয়সর আহমেদ, মসজিদ উন্নয়নে দিলেন ৩ লাখ টাকা রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান দিরাইয়ে পারিবারিক কলহের জেরে দুই সন্তানকে হাওরে ফেলে হত্যা, বাবা আটক সুনামগঞ্জ আদালতে চুরির মামলায় হাজিরা দিতে এসে এবার আইনজীবীর মোবাইল চুরি!

জগন্নাথপুরে পাকা ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

জগন্নাথপুরে পাকা ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কৃষকরা জমিতে পাকা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। শিলা বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের ফলে মাঠের ফসল নিয়ে কৃষকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। শুক্রবার উপজেলার নলুয়ার হাওর ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শঙ্কার কথা জানা গেছে।
কৃষকরা জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ করে উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি কৃষকদের পাকা ধানের অনেক ক্ষতি করেছে। শুক্রবার সকালে কৃষকরা হাওরে গিয়ে দেখেন অনেক জমির পাকা ধান ঝরে গেছে। নলুয়ার হাওরে কথা হয় ভুরাখালি গ্রামের কৃষক মাসুক মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, গতরাতে কালবৈশাখী ঝড়ে তার এক কেদার জমির পাকা ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এক কেদার (৩০শতক) জমি কেটে তিনি মাত্র ৫ মণ ধান পেয়েছেন বলে জানান। তার মতে, কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিতে ফসল ঝরে না গেলে এক কেদার জমি থেকে ১২ থেকে ১৫ মন ধান পেতেন।
হাওরপাড়ের কৃষক নেতা ভূরাখালি গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতের কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে হালকা শিলাবৃষ্টির কারণে কিছু জমির পাকা ফসলের ক্ষতি হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে কৃষি শ্রমিক না আসায় তারা পাকা ফসল কাটতে পারছেন না।
নলুয়া হাওর পাড়ের বেতাউকা গ্রামের আব্দুল মফিজ মেম্বার জানান, হাওরের অধিকাংশ জমির ফসল পাকতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে অন্য জেলা থেকে কৃষি শ্রমিকরা না আসায় কৃষকরা পাকা ধান নিয়ে চিন্তিত। এছাড়াও কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি কৃষকদের শঙ্কায় ফেলেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিবছরের মতো এবার অন্য জেলার কৃষি শ্রমিক না আসায় পাকা ধান নিয়ে অনেক কৃষক দুশ্চিন্তায় আছেন। এছাড়াও কালবৈশাখী ঝড়, আগাম বন্যা, শিলাবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চিন্তায় কৃষকরা চিন্তিত। তিনি ধান পাকার সঙ্গে সঙ্গে তা কেটে ফেলতে কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2026 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com